1. admin@bdculture24.com : adminsr :
  2. emdad365d@gmail.com : ইমদাদুল ইসলাম : ইমদাদুল ইসলাম
ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন তাজহাট জমিদার বাড়ি - BD
রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন

ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অনন্য নিদর্শন তাজহাট জমিদার বাড়ি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেটের সময় : শনিবার, ১৯ মার্চ, ২০২২
  • ৪৮ টাইম ভিউ
জমিদার বাড়ি বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের অন্যতম স্মারক । তার অংশ হিসাবে রংপুরের তাজহাট জমিদার বাড়ি দারিয়ে আছে এক অনন্য মহিমায় । যা রংপুর শহর হতে প্রায় ৩ কিলোমিটার দক্ষিন -পূর্ব কোনে বর্তমান কৃষি ইনস্টিটিউট এর পাাশে সবুজ গাছপালা পরিবেষ্টিত আকর্ষণীয় পরিবেশে অবস্থিত । বর্তমান তাজহাট বাজার হতে উত্তর দিক দিয়ে প্রধান ফটক অতিক্রম করে ক্রমান্বয়ে পশ্চিমে কয়েকশ’গজ পেরিয়ে জমিদার বাড়ির প্রধান প্রবেশ পথে আসা যায় ।
তাজহাট জমিদার মূলত গোবিন্দ লালের পুত্র গোপাল লাল (জি.এল .রায়) এর সাথে সর্ম্পকযুক্ত যা স্থানীয়ভাবে তাজহাট জমিদার নামে পরিচিত । এ বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মান্নানলাল রায় । তিনি সুদূর পাঞ্জাব হতে রংপুরের বিশিষ্ট সমৃদ্ধ স্থান মাহিগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসা করার জন্য এসেছিলেন ।প্রাচীন রঙ্গপুর ইতিহাস পুস্তক থেকে জানা যায় যে , মান্নানলাল রায় রঙ্গপুরের মাহিগঞ্জে এসেছিলেন হীরা ,জহরত ও স্বর্ণ ব্যবসার জন্য । প্রথমে তিনি নানা ধরনের নামী দামী হীরা , মানিক জহরতখচিত তাজ  বা টুপির ব্যবসা করেছিলেন । উক্ত তাজ বিক্রির লক্ষে এখানে হাট বসে যা পরবর্তীতে বিরাট প্রসিদ্ধি লাভ করে এবং এ তাজহাটকে কেন্দ্র করে এউ জমিদার বাড়ির নামকরন করা হয় তাজহাট জমিদার বাড়ি। এ জমিদার বাড়িটি ১৯৮৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত হাইকোর্ট বিভাগের বেঞ্চ হিসাবে ব্যবহার করা হতো ।
২৪ কামরা বিশিষ্ট মার্বেল পাথর বসানো মেঝে যে কারো নজর কারবে । আর আশেপাশে গাছ-গাছালি ,পুকুর ও ফুলের বাগান বাড়িটিকে আরও সৌন্দর্যমন্ডিত করে তুলেছে। ১৯৯৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ইমারতটিকে পুরাকীর্তি ঘোষনা করে । এ প্রাসাদের অন্যান্য স্থাপত্যিক গুরুত্ব উপলব্ধি করে বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে এখানে (রংপুর )জাদুঘর স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। তদানুয়ায়ী ২০০৫ সাল থেকে এ প্রসাদের অংশ বিশেষ ‘রংপুর জাদুঘর’ হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ।
মার্বেলের সিঁড়ি বেয়ে জাদুঘরে উঠলেই রয়েছেবেশ কয়েকটি প্রদর্শনী কক্ষ যাতে রয়েছে দশম ও একাদশ শতাব্দির টেরাকোটা শিল্পকর্ম । এখানে রয়েছে সংস্কৃত এবং আরবি ভাষায় লেখা বেশ কিছু প্রাচীন পান্ডুলিপি । এর মধ্যে রয়েছে মুঘল সম্রাট আওরাঙ্গজেবের সময়ের কুরআন সহ মহাভারত ও রামায়ন । পেছনের ঘরে রয়েছে বেশ কয়েকটা কালো পাথরের হিন্দু দেবতার বিষ্ণুর প্রতিকৃতি । কিন্তু জাদুঘরের ভিতরে ছবি তোলার নিষেধাজ্ঞা রয়েছে ।
এ জমিদার বাড়ির সৌন্দর্য ও গঠনশৌলি বলে শেষ করার মত নয় । চাইলে ২০-৩০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে আপনিও অবসর সময় পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এই চমৎকার ও ঐতিহাসিক নিদর্শন থেকে ।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর
©বিডিকালচার২৪ ডট কম |  ২০২০-২০২২
প্রযুক্তি সহায়তায় RaFi