1. bdculture2020@gmail.com : bdculture :
আটলান্টিক মহাসাগর রহস্য - BD CULTURE
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন

আটলান্টিক মহাসাগর রহস্য

মেফ্তাহুল জান্নাত
  • আপডেটের সময় : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
আটলান্টিক মহাসাগর
আটলান্টিক মহাসাগরের বৃহত্তম রুপ প্রায় আমাদের সকলেরই জানা।তবুও এই রহস্যঘেরা বৃহৎ মহাসাগর টি যুগের পর যুগ সবার কাছে চমকপ্রদ হয়ে রয়েছে এবং বিস্মিত করে চলেছে।বাড়িয়েই চলেছে মানব কৌতূহল।চলছে গবেষণা এবং বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা, আলোচনা এবং একই রকম রয়ে গেছে সর্বক্ষেত্রে এটির গুরুত্ববোধও।
আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমে উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ এবং এর পূর্বে ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশ।উত্তর দক্ষিণে এটি উত্তর মহাসাগর থেকে দক্ষিণ মহাসাগরে বিস্তৃত।আমেরিকা, ইন্দোনেশিয়া  এবং আফ্রিকা থেকে ভারত মহাসাগরের সাথে গিয়ে মিশেছে আটলান্টিক মহাসাগর।

মহাসাগরের আয়োতন

আটলান্টিক মহাসাগরের আয়োতন ১০ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে উত্তরের আটলান্টিক মহাসাগর ৪ কোটি ২৪ লাখ ৯০ হাজার বর্গকিলোমিটার। দক্ষিণে ৪ কোটি ২ লাখ ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার। প্রান্তিক সমুদ্রসহ এর উপকূলের দৈর্ঘ্য ১ লাখ ১১ হাজার ৮৬৬ কি.মি।এর গড় গভীরতা ৩ হাজার ৬৪৬ মিটার বা ১১ হাজার ৬৬৬ ফুট।এর মধ্যে Puerto Rico Trench হচ্ছে এর সবচেয়ে গভীরতম এলাকা। এর গভীরতা ৮ হাজার ৩৭৬ মিটার বা ২৭ হাজার ৪৮০ ফুট।বিজ্ঞানীরা এটির প্রতিধ্বনির মাধ্যমে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করেন।এখানে মোট পানির পরিমাণ ৩১ কোটি ৪ লাখ ১০ হাজার ৯০০ ঘন কিলোমিটার। মোট জলরাশির প্রলয় প্রায় ২৯ টি অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত। বিশ্বের সবচেয়ে বিপদজনক জল প্রপাতের তালিকায় আটলান্টিক মহাসাগর দ্বিতীয় স্থানে।সমিদ্রের আবর্তন গতি, বায়ুপ্রবাহ, লবনাক্ততার ঘনত্ব ও উষ্ণতার পার্থক্যের কারণে উপর স্তরের জলরাশি একস্থান থেকে অন্য স্থানে প্রবাহিত হয়।

“আটলান্টিক মহাসাগর”

যার অর্থ এটলাসের সমুদ্র।জ্যোতির্বিজ্ঞানের গ্রীক দেবতা ‘এটলাসে’র নামানুসারে এই সমুদ্র টির নামকরণ এটলেস্টেটর এর উৎপত্তি যুগ যুগ ধরে এবং শেষ পর্যন্ত এটি এসে পৌঁছেছে ‘এটলন্টিক মহাসাগর’ এ।১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত দক্ষিণ আটলান্টিক কে বলা হতো ‘এথিপিয়ান’ মহাসাগর। এর আগে ইংরেজিদের কাছে পরিচিত ছিল গ্রেট ওয়াকস্টানেনশন নামে।এই বিশাল সমুদ্র পৃষ্ট টির গভীর উত্তাল এবং এর বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এর প্রতিটি বৈশিষ্ট্য এবং স্তরকে ধাপর ধাপে অনেকগুলো নামকরণ করা হয়েছে।এর যতগুলো প্রণালী রয়েছে তার মধ্যদিয়ে ডোভাল প্রণালী সবচেয়ে ব্যস্ত প্রণালী।

এখানে পানির ধরণ কেমন?

ধারণা করা হয় যে আটলান্টিক মহাসাগর স্বভাবতই অত্যন্ত শীতল।পানির উষ্ণতা ও শীতলতা নির্ভর করে বেশ ক’টি বিষয়ের উপর।মার্কিন উপকূলে এর উষ্ণতা প্রশান্ত মহাসাগরের থেকে ১৬° ফারেনহাইট বেশি।কিন্তু মরশুমি পরিবর্তন এবং জলবায়ুর পরিবর্তন ঘটিত পরিস্থিতি তাপমাত্রায় পরিবর্তন ঘটায়।সেই তিক বিবেচনা করলে আটলান্টিক মহাসাগর দারুণ উষ্ণ। তবে সময় ভেতে এটি বরফেও ঢাকা পরে থাকে।বছরের কিছু সময়।

উৎকৃষ্টতা

আটলান্টিক মহাসাগর মূলত পৃথিবীর সবচেয়ে মহাসাগর হিসেবে পরিচিত।লবনাক্ত মহাসাগর এবং মৎস উপকূল হিসেবে সবার তীর্থস্থানীয় এই মহাসাগর টি। ১৯৫০সালের পর থেকে মহৎ ভান্ডার গুলোতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে আটলান্টিক মহাসাগর।
সারাবিশ্বে তিন ভাগে বিভক্ত মৎস ভান্ডার দুটির অবস্থানই এই আটলান্টিক মহাসাগর এবং বাকি একটি হলো ভারত পশ্চিমের প্রশান্ত মহাসাগর।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Categories

© All rights reserved © 2019 bdculture
                          কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম