1. bdculture2020@gmail.com : bdculture :
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাফল্য ও যেসব অর্জন - BD CULTURE
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২০ পূর্বাহ্ন

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সাফল্য ও যেসব অর্জন

মিশকাত রায়হান 
  • আপডেটের সময় : শুক্রবার, ৭ মে, ২০২১
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
২০১২ সালে টাইম ম্যাগাজিনের বিচারে বিশ্বের ১০০ জন ব্যক্তির মধ্যে একজন প্রভাবশালী ও ব্লুমবার্গ মার্কেট ম্যাগাজিনের বিচারে বিশ্ব অর্থনীতির ৫০ জন ব্যক্তির মধ্যে মমতাকে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির শিরোপা। ২০১৫ সালে UNICEF কর্তৃক নদিয়া জেলাকে ভারতের প্রথম নির্মল জেলা হিসাবে ঘোষনা মমতার অন্যতম সাফল্য।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যেসব অর্জন –
১. ২০০০ সালে কেন্দ্রে রেলমন্ত্রী হিসেবে মমতার প্রথম রেল বাজেট পেশ করেন।
২. সর্ব প্রথম রেলমন্ত্রী হিসেবে শিয়ালদহ-নিউদিল্লি ” রাজধানী এক্সেপ্রেস” চালু করেন। এ ছাড়াও ২০০০ ও ২০০১ সালে মমতা রেকর্ড সংখ্যক (১৯টি) নতুন ট্রেন চালু করেন।
৩. ২০০১ সালে তেহেলকা কান্ডের জন্য NDA থেকে মমতা সমর্থন প্রত্যাহার করেন।
৪. প্রথম মহিলা হিসেবে কয়লা ও খনি মন্ত্রীহন।
৫. ২০০৪ সালে চতুর্দশ লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের একমাত্র MP নির্বাচিত হন।
৬. ২০০৫ সালে জোর করে জমি অধিগ্রহনের বিরুদ্ধে বুদ্ধদেব সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।
৭. ২০০৬ সালের ১৮ই জুলাই সিঙ্গুরে জোর করে জমি অধিগ্রহনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। ও বিধানসভায় প্রবেশ এবং তৃণমূল বিধায়কদের বিধানসভা ভাঙচুর।
৮. ২০০৭ সালের মার্চে নন্দীগ্রাম SEZ গঠন ও কেমিক্যাল হাব স্থাপনের বিরুদ্ধে ভূমি উচ্ছেদ কমিটির আন্দোলনে সমর্থন।
৯. ২০০৯ সালে দ্বিতীয় বারের মত রেলমন্ত্রী হন।
১০. ভারতে প্রথম দূরন্ত এক্সপ্রেস ও লেডিজ স্পেশাল ট্রেনের সুচনা করেন।
১১. ২০১১ সালে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩৪ বছরের বাম সরকারকে উৎখাত করেন।
১২. ২০১১ সালে ক্যাবিনেটের প্রথম মিটিং-এ সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষীদের ৪০০ একর জমি ফেরতের জন্য সিধান্ত ঘোষণা করেন। তারপর ১৩ই জুন ২০১১ সালে বিধানসভায় আইন পাস করেন।
১৩. ২০১১ সালে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাস পয়লা বেতন ও দ্রুত পেনশনের জন্য সিধান্ত নেন।
১৪. দার্জিলিং সমস্যার সমাধানের জন্য মমতা পৃথক GTA গঠন করেন।
১৫. বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় :-
২০১১ সালে বৃষ্টির জল সংরক্ষন করে পরে ব্যবহার করার জন্য “জল ধরো,জল ভরো” প্রকল্প, মহিলারা যাতে নির্ভয়ে ও নিঃসঙ্কোচে থানায় অভিযোগ জানাতে পারে এবং তাদের নিরাপত্তা রক্ষিত হয় তার জন্য “মহিলা থানা” প্রকল্প, ২০১২ সালে পশ্চিমবঙ্গের কৃষক ও চাষীরা যাতে তাদের কৃষিজাত দ্রব্য ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করতে পারে তার জন্য ৩৪১ টি ব্লকে একটি করে “কিষান মান্ডি স্থাপন” ও রাজ্যের জনগনকে ন্যায্য মূল্যে ঔষধ কেনার সুযোগ করে দেবার জন্য “ন্যায্য মূল্যের ঔষধের দোকান” স্থাপনের প্রকল্প, ২০১৩ সালে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের সম্মানজনক ভাবে জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করার জন্য “মুক্তিধারা” প্রকল্প ও বিশেষ শিশুদের জন্য হিউম্যান মিল্ক ব্যাংক “মধুর স্নেহ” প্রকল্প, নারী শিক্ষার প্রসার ও বাল্য বিবাহ রোধ এবং নারী পাচার রোধের জন্য “কন্যাশ্রী” প্রকল্প গ্রহন করেন। এবং ১৪ই আগস্ট প্রতি বছর কন্যাশ্রী দিবস পালন করার ঘোষনা দেন।
এছাড়াও ২০১৪ সালে প্রকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে অর্থাৎ ক্ষতির হাত থেকে কৃষক ও চাষীদের বাঁচাতে শস্য বীমার জন্য মমতার “আমার ফসল আমার গোলা” প্রকল্প, ২০১৫ সালপ সরকারি ও আধা সরকারি বিদ্যালয়ের নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেনী ছাত্র ছাত্রীদেরকে সরকারি সাইকেল প্রদানের জন্য “সবুজ সাথী” প্রকল্প, ২০১৪ সালে বাংলার ক্ষুদ্র,ছোট ও হস্তশিল্পের উন্নতি ও প্রসার সাধনের জন্য মমতার “বিশ্ব বাংলা” প্রকল্প ও তফশিলী জাতি ও উপজাতি ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার উন্নতি সাধনের জন্য সরকারি আর্থিক সাহায্য দানের উদ্দেশ্য মমতার “শিক্ষাশ্রী” প্রকল্প, যে সব পরিবারের মাসিক আয় ২৫ হাজার বা তার কম সেই সব পরিবারের বেকারদের ছোট বাস,ট্যাক্সি,ম্যাটাডোর কেনার জন্য ১লক্ষ টাকা সরকারী সাহায্যের উদ্দেশ্য মমতার “গতিধারা” প্রকল্প এবং সার্বিক স্বাস্থ্যবিধানের জন্য সরকারি সাহায্যে শৌচাগার নির্মানের ব্যবস্থা করার জন্য মমতার “মিশন নির্মল বাংলা” প্রকল্প গ্রহন করেন।
১৬. ২০১৫ সালে মানুষ যাতে সরকারের বিভিন্ন পরিসংখ্যান,বিজ্ঞপ্তি,দপ্তর,বিভাগ এবং সেগুলির পদাধিকারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে তারজন্য মমতার “এগিয়ে বাংলা” নামে একটি পোর্টাল সৃষ্টি করেন ও দরিদ্র মানুষদের নিজের বাড়ির স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেবার জন্য তাদেরকে সরকারি জমির পাট্টা বিতরন ও গৃহ নির্মানের জন্যমমতার “নিজগৃহ,নিজভূমি” প্রকল্প গ্রহন করেন। এবং একই সালের জুলাই মাসে প্রথম ভারতীয় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যুবরাজ অ্যান্ড্রুর আমন্ত্রনে ব্রিটেনের বাকিংহাম প্রাসাদে চা চক্রে তিনি যোগদান করেন। ও মমতা কর্তৃক হাওড়া,বারাকপুর,দুর্গাপুর-আসানসোল, এবং বিধাননগর এই চারটি নতুন পুলিশ কমিশনারেট গঠন করেন।
১৭. ২০১৬ সালে রেশনের মাধ্যমে দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারি মানুষজনকে দুটাকা কেজি দামে চাল ও গম প্রদানের ব্যবস্থা করার জন্য মমতার “খাদ্যসাথী” প্রকল্প হাতে নেন। ও স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীদের কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কারিগরি ও বৃত্তিমূলকশিক্ষার উন্নতির সুযোগ সৃষ্টি ও বৃদ্ধির জন্য মমতার “উৎকর্ষ বাংলা” প্রকল্পের প্রতি জোড় দেন।
১৮. ৩১শে আগস্ট ২০১৬ সালে সিঙ্গুরের জমি চাষীদের ফেরত দেবার জন্য সুপ্রীমকোর্টের রায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আসে।
১৯. ১৪ই সেপ্টেম্বর কে ঐতিহাসিক “সিঙ্গুর দিবস” হিসাবে পালন করার জন্য ঘোষনা করেন।
সব সময় দেশ ও দেশের বাহিরের ব্যক্তি, স্থাপনা ও আকর্ষণীয় আপডেট সবার আগে পেতে বিডিকালচার২৪.কমের সাথেই থাকুন। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত টা আমাদের আগামীর পথ চলার অনুপ্রেরণা যোগাবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

Categories

© All rights reserved © 2019 bdculture
                          কারিগরি সহায়তায় রাফিউল ইসলাম